Header Ads

রংপুরে জীবন রক্ষাকারী নিম্নমানের ওষুধ এখন পাওয়া যাচ্ছে পান, মুদি দোকান ও টি-স্টলগুলোতে

রংপুর মহানগরীসহ জেলার আটটি উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে ব্যাঙের ছাতার মতো গড়ে উঠেছে লাইন্সেসবিহীন ওষুধের দোকান। ওষুধ নীতিমালার তোয়াক্কা না করে গড়ে উঠা এসব ওষুধের দোকানে হাত বাড়ালেই মিলছে জীবন রক্ষাকারী নিম্নমানের ওষুধ ও বিক্রি নিষিদ্ধ নানা প্রকার মাদক।সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের তদারকি না থাকায় জীবন রক্ষাকারী এসব নিম্নমানের ওষুধ এখন পাওয়া যাচ্ছে পান, মুদি দোকান ও টি-স্টলগুলোতে। এমনকি প্রেসক্রিপশন ছাড়াই গ্রামাঞ্চলের হাট-বাজারে বিক্রি হচ্ছে এসব ওষুধ। ফলে এসব ওষুধ গ্রহণকারীদের জীবন সংশয়সহ নানা জটিল ও কঠিন রোগে আক্রান্ত হওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। সরেজমিন বিভিন্ন হাট-বাজার ঘুরে দেখা গেছে, রংপুর জেলার ৮টি উপজেলার ৮২টি ইউনিয়নের বিভিন্ন ছোট-বড় হাট-বাজারে গড়ে উঠেছে অসংখ্য ওষুধের দোকান। গুটি কয়েক দোকানের ড্রাগ লাইন্সেস থাকলেও অধিকাংশ দোকানের তা নেই। দোকানের মালিকরা বিভিন্ন কোম্পানির নিম্নমানের ওষুধ উচ্চমূল্যে বিক্রি করে অল্প দিনে আঙুল ফুলে কলাগাছ বনে যাচ্ছেন। এসব ওষুধ কেনার বিষয়ে এলাকার করিম মিয়া বলেন, ‘বাবা, হামরা গরিব মানুষ। ভাল ডাক্তারের কাছে গেলে ১০০ থেকে ২০০ টাকা ফি দেয়া নাগে।’ বিষয়ে ডাক্তার জানান, যত্রতত্র ওষুধ বেচাকেনা থেকে বিরত থাকতে সচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে। তাহলে মানুষ যেখান-সেখান থেকে ওষুধ কিনবে না।

No comments

Powered by Blogger.