VideosRecent activities
For Professional ICT Training: 01674548131 ... 417 days ago
ATM Khademul ISLAM আমরা আধুনিক, আমরা সভ্য, আমাদের অনেক গর্ব, অহংকার, তাইতো আমাদের অনুভূতি মরে গেছে, আমাদের আমিত্ব আমাদের ধ্বংস ডেকে আনবে, আমাদের প্রযুক্তি কোনও কাজে আসবেনা , যেমন আসেনি সেদিন , যেদিন সারাদেশ কেঁপেছিল ,আমাদের হাবভাব দেখে মনে হয় , palestine e সব পশু-পাকি থাকে, ইসরাইলি রাজারা মনে খায়েশ মেটাতে সমবিহারে ( শিকার ) করতে যায়, আর আমরা মানবতার পাতাকাবাহি তা দেখে আ, উ, করে, চায়ের table e বাঘ, সিংহ, মেরে ...soun
636 days ago
Mazedul Islam রংপুরের বন্ধুরা এবং ছোট-বড় ভাইয়েদের প্রতি রিকোয়েস্ট থাকল এই http://goo.gl/koJYR লিংকে গিয়ে একটি নোট পড়ার জন্য এবং সুচিন্তিত মতামত জানানোর জন্য।
678 days ago
রংপুর ওয়েব ফোরাম একটি নতুন বিষয় বিশ্বমানের শিক্ষায় আমাদের অবস্থান in the forums.
“বিশ্বমানের শিক্ষায় আমাদের অবস্থান ও বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় রংপুর নিয়ে কিছু স্বপ্ন” রিফাত রহমান শাকিল, সুইডেন থেকে যুক্তরাজ্যভিত্তিক সেরা দেশ নির্বাচন সংস্থা নিউজউইক পরিচালিত জরিপে ২০১০ সালে শীর্ষ তালিকায় প্রথম স্হান পাওয়া দেশটির নাম ফিনল্যান্ড (তথ্যসুত্র:www.newsweek.com)। দ্বিতীয় ও তৃতীয় তালিকায় যথাক্রমে আছে সুইজারল্যান্ড এবং সুইডেন। নিউজউইক যেসব মানদন্ডের ভিত্তিতে সেরা দেশ নির্বাচন করেছে সেগুলো হলো: শিক্ষা, স্বাস্থ্য, জীবনধারণের মান, অর্থনৈতিক মাত্রা ও রাজনৈতিক পরিবেশ। আমাদের দেশ সেই তালিকায় স্হান পেয়েছিল ৮৮ নম্বরে। ৮৯ তম অবস্থান পাওয়া পাকিস্তানের অবস্থান ঠিক আমাদের নিচেই। ৮৭ তম অবস্থান নিয়ে আমাদের উপরে আছে কেনিয়া। আমাদের প্রতিবেশী দেশ ভারতের অবস্থান ৭৮ তম। নিউজউইক পরিচালিত জরিপে বাংলাদেশ শিক্ষা ক্যটাগরীতে পেয়েছে ৫৮.৬৩%, স্বাস্থ্যে ৫১.৭১%, জীবনযাত্রার মানে ৪৮.৫৩%, অর্থনৈতিক মাত্রায় ৩১.০৬% এবং রাজনৈতিক পরিবেশে ৪৭.০৬%। স্ক্যান্ডিনেভিয়ান ৪টি দেশ ডেনমার্ক, সুইডেন, নরওয়ে আর ফিনল্যান্ড এর ভৌগলিক অবস্থান খুব কাছাকাছি। বিশ্বের সেরা ৩টি দেশের মধ্যে এই স্ক্যান্ডিনেভিয়া থেকেই দুইটি দেশ নির্বাচিত হয়েছে। স্ক্যান্ডিনেভিয়ান বাকি দুটি দেশ নরওয়ে আর ডেনমার্কের অবস্থান যথাক্রমে ৬ষ্ট ও ১০ম। পড়াশুনা করার জন্য সুইডেনে অবস্থান করছি বলে সুইডেন সম্পর্কে একটা ভাল ধারণা পাওয়ার সুযোগ ঘটেছে। অনেক কাছে থেকে এখানকার মানুষের আচার-আচরন, এদের জীবনব্যবস্থা দেখার সুযোগ পেয়েছি। আমি সুইডেনে যেখানে অবস্থান করছি সেটা ডেনমার্কের অনেক কাছের এলাকা। সুইডেনের রাজধানী ষ্টকহোম ট্রেনে যেতে আমার সময় লাগে ৬ ঘন্টা, সেখানে ডেনমার্কের রাজধানী কোপেনহেগেন যেতে ট্রেনে সময় লাগে ১ ঘন্টা। সুইডেনের এই দক্ষিণাঞ্চল একসময় ডেনমার্কের শাসনাধীন ছিল। স্ক্যান্ডিনেভিয়া অঞ্চলের সবচেয়ে পুরনো বিশ্ববিদ্যালয়টি সুইডেনে অবস্থিত। ১৪৭৭ সালে উপসালা (Uppsala University) নামের এই প্রাচীন বিশ্ববিদ্যালয়টি সুইডেনে প্রতিষ্টা পেয়েছিল। সুইডেনের দ্বিতীয় প্রাচীন বিশ্ববিদ্যালয় লুন্ড্ (Lund University) প্রতিষ্টিত হয়েছিল ১৬৬৬ সালে। গত একবছর ধরে আমি এই লু্ন্ড্ বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়ন করছি। সেরা দেশ নির্বাচনের ক্ষেত্রে সুইডেন শিক্ষাখাতে পেয়েছে ৯০.৭৬%। ইংল্যান্ড, স্পেন, পর্তুগাল, নেদারল্যান্ড বা ফ্রান্সের মতো সুইডেন কোথাও উপনিবেশ গড়ে তোলেনি। শিল্পায়নের দিক দিয়েও উত্তর ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে অনেকটাই পিছিয়ে পড়ে দেশ হিসাবে পরিচিত ছিল সুইডেন। বর্তমান সময়ে শুধু স্ক্যান্ডিনেভিয়া অঞ্চলেই নয় বরং সারা বিশ্বের উন্নত প্রথম দশটি দেশের তালিকায় সুইডেনের নাম চলে আসে। সুইডেনের আজকের উন্নতির পিছনে যেসব বিষয় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল সেগুলোর মধ্যে শিক্ষাখাতকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হিসাবে বিবেচনা করা হয়। সুইডেনের শিক্ষাখাতে বাজেট এত বেশি বরাদ্দ রাখা হয়েছিল যে তারা নিজের দেশের শিক্ষার্থীদেরকে বিনাপয়সায় পড়ানোর পাশাপাশি আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্যও বিনাপয়সায় অধ্যয়নের সুযোগ রেখে দেয় ২০১০-১০১১ শিক্ষাবর্ষ পর্যন্ত। শুধু সুইডেন নয় বিশ্বের যেকোন উন্নত দেশগুলোর দিকে তাকালেই দেখা যাবে যে তাদের উন্নতির পিছনে সবচেয়ে বড় প্রভাবক হিসাবে কাজ করছে তাদের শিক্ষাব্যবস্থা। আলোকবর্তিকার (Enlightenment) সময়ের পরে উত্তর ইউরোপ যখন চার্চকেন্দ্রিক শাসনব্যবস্থা থেকে বের হয়ে এসেছিল ঠিক তখন থেকেই এখানকার সবগুলো দেশে শিক্ষা-গবেষণাকে দেখা শুরু করা হয় অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে। আর অবিশ্বাস্য সব আবিস্কার হওয়ার রাস্তাটি প্রসারিত হতে শুরু করলো ঠিক তখনই। শুধু বৈজ্ঞানিক আবিস্কার নয়, নতুন নতুন দর্শন-তত্ত্ব জন্মলাভ করে ঠিক এ সময়টাতেই। ১৮৭০ সালে আলফ্রেড নোবেল নামক একজন মহান সুইডিশ বিজ্ঞানী আবিস্কার করেন ডিনামাইট। আর সেই আলফ্রেড নোবেলের নামানুসারে এবং তার অর্থায়নের মাধ্যমে আজ বিশ্বের সবচেয়ে বড় পুরস্কারটির প্রবর্তন ঘটেছে। উত্তর ইউরোপের শিক্ষাব্যবস্থার উন্নতির ধারাটি আজও প্রবাহমান। এশিয়া, আফ্রিকা, লাতিন আমেরিকা সহ উত্তর আমেরিকা আর ইউরোপ মহাদেশের অন্যান্য দেশগুলো থেকেও শিক্ষার্থীরা সুইডেনে পড়াশুনা করতে আসে। উন্নত শিক্ষাব্যবস্থা আর উঁচুমানের গবেষণার সুযোগ আছে বলেই এখানকার বিশ্ববিদ্যালয়গুলো অনেক জনপ্রিয়। এবার একটু আমার দেশের দিকে তাকাই; আমি ২০০০ সালে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছিলাম। আমার হল শহীদ সালাম-বরকত হলে বেশকিছু নেপালী ছাত্র ছিল। তারা জাহাঙ্গীরনগরে বিভিন্ন বিষয়ে পড়াশুনা করতে নেপালের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আমাদের দেশে এসেছিল। আমি যখন ২০০৬ সালে অনার্স শেষ করি তখন আর নতুন কোন নেপালী শিক্ষার্থী দেখতে পাইনি। ৭০ এর দশকে নাকি আমাদের দেশে মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইন, কোরিয়া থেকেও শিক্ষার্থীরা পড়াশুনা করতে আসতো! ৭০ বা ৮০'র দশকে আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা নিশ্চয় অনেক উন্নত ছিল। যেদেশে বর্তমান সময়ের উন্নত দেশ মালয়েশিয়ার শিক্ষার্থী পড়াশুনা করতে আসতো সেদেশে আজ আমাদের শিক্ষার্থীরা নেপাল, ভুটানেও পড়াশুনা করতে যায় বলে শুনেছি! ২০১০ সালের নিউজউইকের জরিপে আমরা শিক্ষাখাতে অর্জন করেছি ৫৮.৬৩%। কেন এত অবনতি? আমাদের দেশে কি বিশ্বমানের শিক্ষার্থী নেই? এই দরিদ্র দেশের শিক্ষার্থীরা বিদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পড়াশুনা করতে যেয়ে কতো ভাল রেজাল্ট করছে। গণিত অলিম্পিয়াডের প্রতিযোগিতায় আমাদের শিক্ষার্থীরা কতো ভাল করছে। শিক্ষার্থী ভাল শিক্ষার্থী হিসাবে জন্মলাভ করেনা, তাদের ভাল পরিবেশ দিতে হয়। পড়াশুনার যথোপযুক্ত পরিবেশ, শিক্ষকদের ভাল প্রশিক্ষণ, গবেষণার পরিবেশ তৈরি এগুলোর দিকে মনোযোগ দিলে এমনিতেই পড়াশুনার মান উন্নত হয়ে যাবে। ৭০ এর দশকে আমরা যে অবস্থানে ছিলাম আজ প্রযুক্তির প্রসারের যুগেও ঠিক সেভাবে নিজেদের অবস্থানের অবনতি ঘটিয়েছি। বিশ্বের সেরা ৫০০ বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যেও আমাদের দেশের কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম নেই। ঠিক এ সময় আশার আলো নিয়ে গড়ে উঠছে নতুন নতুন বিশ্ববিদ্যালয়। রংপুরবাসীর দীর্ঘদিনের স্বপ্ন, আশা-আকাঙ্খার বাস্তবায়ন কিছুটা হলেও ঘটেছে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় রংপুর প্রতিষ্ঠার মধ্যে দিয়ে। একটি বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটা এলাকার নয় বরং পুরো দেশের উন্নয়নের ক্ষেত্রে অনেক বড় ভূমিকা রাখতে পারে। যে সময় আমরা বিশ্বমানের শিক্ষাব্যবস্থার পিছিয়ে পড়েছি সেসময় এই নতুন বিশ্ববিদ্যালয়টি আমাদের কাছে শুধু আশার আলোই নয় বরং পিছিয়ে পড়া উত্তরবঙ্গের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের ক্ষেত্রেও রাখতে পারে অনেক অবদান। যার নামে বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত সেই বেগম রোকেয়া নিজেও শিক্ষার গুরুত্ব অনুধাবন করতে পেরে নারী শিক্ষার আন্দোলনে নেমেছিলেন। নারী শিক্ষার পথিকৃৎ এই বেগম রোকেয়ার নামে যে বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত সেখানে আমরা হরতালের নামে ক্লাশ বন্ধ করিয়ে রাখি। আমরা জাতীয় রাজনীতির কারনে পরপর ৪ দিনেরও বেশি হরতাল করলাম। হরতাল করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে রাখলাম। অথচ শিক্ষা আমাদের প্রধান মৌলিক অধিকারগুলোর একটি। আমরা হরতালের নামে নিজেরাই নিজের জাতিকে তার শিক্ষার মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করে রাখলাম এবং আরও অনেকবার হরতাল করে বঞ্চিত করতেই থাকবো! আমাদের রংপুর শহরে খেরাজ আলী নামের একজন পরমহিতৈষী একটি সাইকেলে করে বই নিয়ে মহিলাদের জন্য বাড়িতে বাড়িতে পৌঁছে দিতেন যাতে পিছিয়ে পড়া রক্ষণশীল পরিবারের মেয়েরা শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত না হয়। অনেক কষ্টে তিনি কেরামতিয়া স্কুল মাঠের এক কোনায় একটি পাঠাগার গড়ে তুলেছিলেন। ১৯৬০ এর দশকে খেরাজ আলী যে মহান কাজের দায়িত্ব নিয়েছিলেন সেটার বাস্তব প্রতিফলন আমাদের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় রংপুর। আজ আমাদের উত্তরবঙ্গের মেয়েরা নিজেরাই বাড়ির বাহিরে এসে পড়াশুনা করার সুযোগ পাচ্ছে। ৬০ বা ৭০ দশকের আগে এটা খুব সহজ কাজ ছিলনা। রংপুরে প্রতিষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়টি যদি রংপুরবাসীর স্বপ্নের বাস্তবায়ন হয়ে থাকে তাহলে আমরা সেই স্বপ্নটিকে রক্ষা করার জন্য কি বিশেষ কিছু পদক্ষেপ নিতে পারিনা? আমাদের রংপুরের সব দলের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ একত্রে বসে আমরা বিশ্ববিদ্যালয়টিকে কি হরতাল আওতামুক্ত রাখার সিদ্ধান্ত নিতে পারিনা? শুধু রংপুর বিশ্ববিদ্যালয় নয় বেগম রোকেয়া আর খেরাজ আলীর প্রতি সম্মান জানিয়ে রংপুরের সব শিক্ষা প্রতিষ্টানকে কি আমরা হরতালের আওতামুক্ত রাখতে পারিনা? গণতান্ত্রিক দেশে হরতাল বা অবরোধ করে দাবী আদায় করা অযৌক্তিক কিছু নয়। কিন্তু দাবী আদায়ের নামে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখাটা কি আদৌ যৌক্তিক? আমার এই প্রশ্নটি রংপুরের সকল রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের কাছে। আমরা অনেক কষ্ট করে একটি বিশ্ববিদ্যালয় পেয়েছি। সারাদেশে আমাদের উত্তরবঙ্গের মানুষ পিছিয়ে পড়া মঙ্গাপিড়িত জনগোষ্ঠী হিসাবে পরিচিত। এতসব প্রতিকূলতার মধ্যেও আমরা আমাদের স্বপ্নের একটা বিশ্ববিদ্যালয় পেয়েছি। আমাদের কি উচিত না সেই স্বপ্নের বিশ্ববিদ্যালয়ে যারা পড়াশুনা করছে তাদেরকে পড়াশুনার সুষ্ট পরিবেশ তৈরি করতে সহায়তা করা? ২০১১ সালের মধ্যেও আমাদের দেশের কোন বিশ্ববিদ্যালয় বিশ্বের সেরা ৫০০ টি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্য অন্তর্ভূক্ত হতে পারেনি। আমরা স্থানীয় মানুষরা যদি আমাদের এই বিশ্ববিদ্যালয়টির ব্যপারে একটু সচেতন থাকি, বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদেরকে পড়াশুনার সুষ্ঠ পরিবেশ তৈরিতে সহযোগিতা করি তাহলে কে বলতে পারে যে আমাদের এই বিশ্ববিদ্যালয়টি একদিন দেশের সেরা বিশ্ববিদ্যালয় হিসাবে স্থান করে নিবে না! শিক্ষাই একমাত্র জিনিস যেটা কেউ চুরি করতে পারেনা। শিক্ষাই একমাত্র বিষয় যেটার মাধ্যমে অনেক বড় স্বপ্ন দেখা যায় এবং সেসব স্বপ্নের বাস্তবায়ন করাটাও অসম্ভব কিছু নয়। ২০১১-২০১২ শিক্ষাবর্ষে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় রংপুর মোবাইল এর মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আবেদন করার সুযোগ তৈরি করেছিল যেটার কৃতিত্ব এই বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক জলিল মিয়া স্যারের। আজ হয়তো বিশ্ববিদ্যালয়টি অনেক ছোট পরিসর নিয়ে যাত্রা শুরু করেছে, কিন্তু শিক্ষার মান ঠিকভাবে ধরে রাখতে পারলে সেটা অনেক দ্রুত বড় পরিসর তৈরি করে দিবে। শ্রদ্ধেয় উপাচার্য জলিল স্যারকে আমি অনুরোধ করবো শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে একটু বেশি সচেতন থাকতে। আমাদের রংপুরের অনেক শিক্ষার্থী বিদেশের উঁচুমানের বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়ন করছে তাদেরকে খুঁজে বের করুন। নিজের এলাকার প্রতি সবারই একধরণের দুর্বলতা থাকে, আপনি তাদেরকে আপনার বিশ্ববিদ্যালয়ে আমন্ত্রণ জানিয়ে দেখুন তারা কতোটা আনন্দের সঙ্গে তাদের নিজের এলাকার বিশ্ববিদ্যালয়ে বিদেশের শিক্ষাটাকে কাজে লাগায়। দলীয়করণের উর্ধ্বে উঠে আপনি যদি বিদেশ থেকে ডিগ্রি নেয়া রংপুরের স্থানীয় শিক্ষার্থীদের আপনাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে নিযুক্ত করতে পারেন সেটা শুধু আপনার বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্যই নয় বরং পুরো দেশের জন্য মঙ্গলময় হবে। এছাড়া প্রতিবছর অন্তত একজন করে হলেও আপনার বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বিদেশে উচ্চ শিক্ষার জন্য যাওয়ার সুযোগ তৈরি করুন। তারা বিদেশ থেকে উচ্চ শিক্ষা নিয়ে দেশে ফিরে আপনার বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণাধর্মী পরিবেশ তৈরি করার চেষ্টা করুক। যারা বিদেশ থেকে ডিগ্রী নিয়ে আপনার বিশ্ববিদ্যালয়ে নিযুক্ত হবে তাদের মাধ্যমে বিদেশের সেসব বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে কোলাবোরেশন প্রোগ্রাম তৈরি করার চেষ্টা করুন। আমাদের নিজেদের প্রয়োজনেই বিদেশের ভাল প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে আমাদের যোগাযোগ তৈরি করতে হবে। অবাধ তথ্য প্রযুক্তির যুগে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন শিক্ষক বা শিক্ষার্থী যেন প্রযুক্তি ব্যবহারের দিক দিয়ে পিছিয়ে না পড়ে সেদিকে খেয়াল রাখুন স্যার। দরকার হলে প্রতিটি বিভাগে বাধ্যতামুলক কিছু কোর্স চালু করুন যার মাধ্যমে শিক্ষকসহ শিক্ষার্থীরা মিলে ইন্টারনেট ব্যবহারের ব্যাপারে দক্ষ হতে পারে, সঙ্গে কম্পিউটারের বেসিক বিষয়গুলো আয়ত্ত্বে নিয়ে আসতে পারে। একই সঙ্গে আমরা এলাকার স্থানীয় মানুষরা যদি আমাদের স্বপ্নের এই বিশ্ববিদ্যালয়টি সম্পর্কে সচেতন থাকি তাহলে অবশ্যই আমাদের অন্যান্য স্বপ্নগুলোও বাস্তবায়িত হবে। আমাদের এলাকার বিশ্ববিদ্যালয়টির যত্ন নিলে সেটার সুফল ভোগ করবো আমরাই। আমরা যে দলের সমর্থক হইনা কেন এই রংপুর আমাদেরই। আমাদের আদর্শ, ধর্ম, সামাজিক অবস্থান ভিন্ন হতে পারে কিন্তু এই রংপুরতো আমাদের জন্মস্থান। আমরা আমাদের জন্মস্থানকে উন্নত করে গড়ে তোলার জন্য কি সবাই মিলে একত্রিত হতে পারবোনা? নিজের এলাকার বিশ্ববিদ্যালয়টিকে একটা বিশ্বমানের বিশ্ববিদ্যালয় হিসাবে গড়ে তোলার জন্য কি একটু ছাড় দিতে পারবোনা? আমাদের নতুন প্রজন্ম এই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনা করবে। আমরা যদি সবাই মিলে চেষ্টা করি তাহলে একদিন আমাদের শহরেই বিদেশ থেকে শিক্ষার্থীরা পড়াশুনা করতে আসবে। উঁচুমানের গবেষণার সুযোগ তৈরি করাতে পারলে আামাদের স্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষার্থীরা একদিন বিশ্বের উন্নত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে প্রতিযোগিতায় নামার সুযোগ পাবে। আমাদের এই রংপুরকে অন্য এলাকার মানুষ মঙ্গাপিড়ীত পিছিয়ে পড়া মানুষ বলতে সংকোচবোধ করবে। আসুন স্বপ্ন দেখি আমাদের স্বপ্নের বিশ্ববিদ্যালয়টিকে নিয়ে। আমরা দেশ স্বাধীন হবার প্রায় ৪০ বছর পরে আমাদের প্রাণপ্রিয় রংপুরে একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় পেয়েছি। পরবর্তী ৪০ বছরে যেন আমাদের অন্যান্য স্বপ্নগুলো আমরা পুরণ করতে পারি, সেদিন যেন আমাদের রংপুরের মানুষ গর্ব করে বলতে পারে যে দেশের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়টি আমাদের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় রংপুর। শুধু দেশের মধ্যেই নয় একইসঙ্গে বিশ্বের সেরা ৫০০ বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ঢুকে যাক আমাদের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় রংপুর-এর নাম। আসুন সবাই মিলে আমরা বিশ্ববিদ্যালয়টিকে একটু সহযোগিতা করি। লেখক: রিফাত রহমান শাকিল সুইডেনে প্রত্নতত্ত্ব বিষয়ে মাষ্টার্স করছেন ই-মেইল: rifat218@gmail.com ...বিস্তারিত পড়ুন 682 days ago
Mazedul Islam এই বিষয়ের উপর মন্তব্য Re: Mother's love is not exhausted in the forums.
ধন্যবাদ শেয়ার করার জন্য।
...বিস্তারিত পড়ুন 682 days ago
Rangpur Web Sponsor: Tutorial, Finance, Joomla, Google Adsense, Online money, YouTube, Wordpress, Template |
